"লক্ষ্য হাসি, কর্ম সেবা"—এই আদর্শকে ধারণ করে প্রফুল্ল বাংলাদেশ-এর প্রতিটি সামাজিক সেবা কার্যক্রমে যুক্ত আছেন এই নিবেদিতপ্রাণ তরুণেরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ শিক্ষক ও সমাজহিতৈষী, যিনি সংগঠনের শুরু থেকেই নীতি নির্ধারণী দিকনির্দেশনা দিয়ে আমাদের অনুপ্রাণিত করছেন।
সমাজকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সুদীর্ঘ ২৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব, যিনি প্রফুল্লর সামাজিক উদ্যোগে দিকনির্দেশনা দেন।
প্রফুল্ল বাংলাদেশ-এর স্বপ্নদ্রষ্টা। যুব শক্তির বিকাশ ও সামাজিক ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সুখী ও সাবলম্বী সমাজ গঠনের লক্ষ্যে নিরলস কাজ করছেন।
কৌশলগত পরিকল্পনা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রধান রূপকার। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবা ও সামাজিক কাজ পরিচালিত হয়।
প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং প্রফুল্লর বিভিন্ন অংশীদার ও দাতাদের মধ্যে সম্পর্ক ও কার্যকরী যোগাযোগের দায়িত্বে নিয়োজিত।
সংগঠনের আর্থিক স্বচ্ছতা, বাজেট পরিকল্পনা, হিসাব রক্ষণ ও ফান্ড রাইজিং কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও সততা বজায় রাখতে নিরলস কাজ করেন।
সাধারণ সম্পাদকের সাথে সহযোগী ভূমিকা পালন করেন এবং সংগঠনের সামগ্রিক অভ্যন্তরীণ কার্যকলাপে গতিশীলতা ও শৃঙ্খলা আনেন।
নতুন স্বেচ্ছাসেবক সংগ্রহ, সদস্য প্রবৃত্তি এবং সংগঠনের নতুন শাখার সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রফুল্ল নেটওয়ার্ক প্রসারিত করেন।
জরুরি রক্তের চাহিদা পূরণ ও বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা ক্যাম্প সফলভাবে পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত।
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য প্রফুল্ল পাঠশালা এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের প্রধান দায়িত্ব পালন করছেন।
সংগঠনের কর্মকাণ্ডের ভিডিওগ্রাফি, গ্রাফিক ডিজাইন ও গণমাধ্যমে প্রফুল্লর সামাজিক উদ্যোগগুলোর ইতিবাচক সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করেন।
প্রফুল্ল বাংলাদেশ-এর অনলাইন আইডেন্টিটি, ওয়েবসাইট ও মেম্বার ডেটাবেস তৈরি ও রক্ষনাবেক্ষনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ, সচেতনতা প্রচার ও প্লাস্টিক দূষণ রোধে প্রফুল্লর পরিবেশ অভিযানের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।
সমাজ বিনির্মাণে এবং মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে প্রফুল্ল বাংলাদেশ টিমের সাথে একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত হতে আজই নিবন্ধন করুন।